• Sep 24 2026 - 10:26
  • 16
  • : 1 minute(s)
দুই দেশের শিক্ষা, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও প্রকৌশল ক্ষেত্রে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা আরও জোরদার করার উদ্যোগ

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে ইরানি সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের কালচারাল কাউন্সেলরের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ঢাকা, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬: ঢাকাস্থ ইরান দূতাবাসের সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সম্মানিত কালচারাল কাউন্সেলর জনাব মাহদি মৌলায়ি অরানি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (BUET)-এর উপাচার্য প্রফেসর ড. একরামুল হকের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে দুই দেশের বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে শিক্ষা, গবেষণা, প্রযুক্তি ও প্রকৌশল ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিভিন্ন সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।

5884070600018431958

বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (BUET) ইতিহাস দীর্ঘ ও সমৃদ্ধ। ১৮৭৬ সালে ‘ঢাকা সার্ভে স্কুল’ প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে এর যাত্রা শুরু হয়। পরবর্তীতে ১৯৪৭ সালে এটি একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে রূপান্তরিত হয় এবং ১৯৬২ সালে একটি স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হয়।

বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে পাঁচটি অনুষদের অধীনে ১৮টি বিভাগ রয়েছে। অনুষদগুলোর মধ্যে রয়েছে প্রকৌশল, স্থাপত্য ও পরিকল্পনা, পুরকৌশল, তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল এবং যন্ত্রকৌশল। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছয়টি প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও সমসাময়িক গবেষণা ক্ষেত্রে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ৬০০-এরও বেশি শিক্ষক এবং ১০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত রয়েছে।

সাক্ষাৎকালে ইরান ও বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব ও উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে প্রযুক্তি ও প্রকৌশল ক্ষেত্রে ইরানি অধ্যাপকদের একটি প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফর এবং বাংলাদেশি অধ্যাপকদের ইরানের বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ ও দেশটির প্রযুক্তিগত অগ্রগতি পরিদর্শনের বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব পায়।

এছাড়া  বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ইরানে উচ্চশিক্ষা ও শিক্ষাবৃত্তির সুযোগ সম্প্রসারণ এবং বৃত্তির শর্ত ও প্রক্রিয়া সহজ করার বিষয়েও আলোচনা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আগ্রহ ও প্রয়োজনের ভিত্তিতে ইরানের বিশিষ্ট অধ্যাপকদের অংশগ্রহণে অনলাইন ক্লাস ও বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক কর্মশালা আয়োজনের বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়ার কথা আলোচনা হয়।

এ সময় ্বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে ইরানের প্রযুক্তিগত ও প্রকৌশলগত অগ্রগতি তুলে ধরে একটি বিশেষ প্রদর্শনী আয়োজনের সম্ভাবনাও তুলে ধরা হয়। প্রদর্শনীর মাধ্যমে ইরানের বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও প্রকৌশল ক্ষেত্রে অর্জিত অগ্রগতি বাংলাদেশের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সামনে তুলে ধরার সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।

সাক্ষাৎকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ইরানের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কেও জানতে চান। এর জবাবে কালচারাল কাউন্সেলর বলেন, ইরানিদের প্রতিরোধ ও সাফল্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হলো জ্ঞান ও বিজ্ঞান। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ইরানে জ্ঞান ও বিজ্ঞানের বিকাশ এবং বৈজ্ঞানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে নেতৃত্বের বিজ্ঞান ও জ্ঞানকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি ও দিকনির্দেশনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

সাক্ষাৎটি দুই দেশের শিক্ষা, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও প্রকৌশল ক্ষেত্রে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা আরও জোরদার করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

Dhaka Bangladesh

Dhaka Bangladesh

.