মেহেরদাদ আভেস্তার বাচনভঙ্গি ও কাব্যরীতির প্রতি এক নজর
মেহেরদাদ আভেস্তা অত্যন্ত শক্তিমান কবি ও দক্ষ গবেষক ছিলেন। কাব্য বিশ্লেষণ ও সমালোচনায় তাঁর দৃষ্টি ছিল অত্যন্ত প্রখর।
মেহেরদাদ আভেস্তা অত্যন্ত শক্তিমান কবি ও দক্ষ গবেষক ছিলেন। কাব্য বিশ্লেষণ ও সমালোচনায় তাঁর দৃষ্টি ছিল অত্যন্ত প্রখর।
কবি হাফিজ (১৩২৫-১৩৮৯ খ্রিস্টাব্দ) শুধু ইরানেরই নয়; বরং সমগ্র বিশ্বের প্রথিতযশা কবিদের একজন।
ফারসি সাহিত্যের বিশ্ববিশ্রুত ও বরেণ্য কবি আবুল কাসেম ফেরদৌসি [৯৪০-১০২০/১০২৫ খ্রি. (আনুমানিক)] ছিলেন ইরানের প্রাচীন ইতিহাস, ঐতিহ্য ও গৌরবগাথার সার্থক রূপকার। বিশ্ববিখ্যাত বীরত্বগাথা শাহনামা রচনার মধ্য দিয়ে তিনি মূলত ইরানিদের জাতিসত্তা ও ফারসি ভাষার মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্যকে সংরক্ষণ করেছেন।
শেখ সাদী, হাফেয শিরাযী, মওলানা রূমী, মওলানা আব্দুর রহমান জামী, হাকিম আবুল কাসেম ফেরদৌসী প্রমুখের সাথে অপর যে ফারসি কবি বিশ্বজয় করেছেন, তিনি হলেন প্রেমের গল্প বলা রহস্যজ্ঞানী কবি নিযামী।
দামেশকের জামে মসজিদে হযরত ইয়াহয়া আলাইহিস সালামের কবরের শিয়রে এতকাফে ছিলাম (শেখ সা‘দীর কথা)। ঘটনাচক্রে আরবের তামীম গোত্রের এক বাদশাহ, যে জুলুম ও স্বৈরাচারের জন্য কুখ্যাত ছিল, সেখানে যিয়ারত করতে আসে। সে সেখানে নামায আদায় করে।
ফারসি সাহিত্যাঙ্গনে উদিত নক্ষত্ররাজির মাঝে যাদের আলোকচ্ছটায় বিশ্বসাহিত্য গৌরবান্বিত জালাল উদ্দিন রূমি তাদের অন্যতম।
এরফান বা আধ্যাত্মিকতা ফারসি সাহিত্যের একটি মূল্যবান উপাদান। আরবি ভাষা ও সাহিত্যে ‘এরফানে ইসলামি’ বা আধ্যাত্মিক বিষয়াদি বেশির ভাগ ক্ষেত্রে গদ্যাকারে বর্ণিত হয়েছে। কিন্তু ফারসি ভাষা ও সাহিত্যে এরফানি চিন্তাধারা বিবৃত হয়েছে কাব্যাকারে বা পদ্যছন্দে।
দূর অতীতে প্রাচীন গ্রিস পরিচিত হয়েছিল দর্শনশাস্ত্রের কারণে আর ফ্রান্সের পরিচিতি ছিল সাহিত্যের সুবাদে।
ওমর খাইয়াম নিশাপুরির পুরো নাম গিয়াস উদ্দীন আবুল ফাতাহ ওমর ইবনে খাইয়াম নিশাপুরি। তাকে খাইয়ামী, খাইয়াম নিশাপুরি ও খাইয়ামী নিশাপুরি হিসেবেও আখ্যায়িত করা হয়। তিনি ৪২৭ ইরানি সালের ২৮ উর্দিবেহেশত (১৭ মে ১০৪৮ খ্রি.) ইরানের নিশাপুরে জন্মগ্রহণ করেন।