মেহেরদাদ আভেস্তা
মানবসভ্যতার সূচনালগ্ন থেকে পারস্য জ্ঞান-বিজ্ঞান, সভ্যতা-সংস্কৃতি, শিল্প-সাহিত্যে গৌরবময় মর্যাদায় আসীন।
কবি হাফিজ (১৩২৫-১৩৮৯ খ্রিস্টাব্দ) শুধু ইরানেরই নয়; বরং সমগ্র বিশ্বের প্রথিতযশা কবিদের একজন। তিনি ইরানের শিরাজ নগরে জন্মগ্রহণ করেন।
জালালে আলে আহমাদ (১৯২২-১৯৬৯ খ্রিস্টাব্দ) চল্লিশের দশকের ইরানি লেখকদের মধ্যে উজ্জ্বলতর নাম।
প্রখ্যাত ইরানি চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক, অভিনেতা এবং চিত্রনাট্যকার মাজিদ মাজিদি ১৯৫৯ সালের ১৭ই এপ্রিল ইরানের রাজধানী তেহরানে জন্মগ্রহণ করেন।
দর্শন, গণিত, জ্যামিতি, চিকিৎসাশাস্ত্র, সংগীত, চিত্রকলা, অলঙ্কারশাস্ত্র, জ্যোতির্বিদ্যা এবং ধর্মতত্ত্বের মতো তৎকালীন সময়ের বেশিরভাগ বুদ্ধিবৃত্তিক ও বর্ণনামূলক বিজ্ঞানে নাসের খসরুর দক্ষতা ছিল।
কামালউদ্দিন বেহজাত চিত্রশিল্পী মিরাকের অধীনে হেরাত লাইব্রেরিতে তাঁর প্রশিক্ষণ শেষ করেন এবং চিত্রাঙ্কন ও অঙ্কনে দুর্দান্ত দক্ষতা অর্জন করেন।
দারভিশ খান নামে পরিচিত গোলামহোসেন ইরানের উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ‘দারুল ফুনুন’-এর সাথে সম্পৃক্ত নেজাম স্কুলের সংগীত বিভাগে ভর্তি হন, যেখানে তিনি গানের নোট এবং ট্রাম্পেট ও ছোট ড্রাম বাজানো শিখেন।
আব্বাস কিয়ারোস্তামি। বিশ্ব সিনেমার স্বনামধন্য এক নক্ষত্রের নাম।