গিলিম একটি বস্ত্রশিল্প, যার বৈচিত্র্য ইরানের সংস্কৃতি ও ভূগোলের মতোই বিস্তৃত।
ইরানের প্রায় সব অঞ্চলে গিলিম বোনার পদ্ধতি মোটামুটি একই রকম, তবে বিভিন্ন অঞ্চলে এর নকশা ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে ব্যাপক বৈচিত্র্য রয়েছে।
ইরানের প্রায় সব অঞ্চলে গিলিম বোনার পদ্ধতি মোটামুটি একই রকম, তবে বিভিন্ন অঞ্চলে এর নকশা ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে ব্যাপক বৈচিত্র্য রয়েছে।
কুফতেগারি শিল্পীরা বিভিন্ন ধরনের ধাতব তার ব্যবহার করে ধাতব বস্তুর পৃষ্ঠতলকে অলংকৃত করেন।
ইরানে ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতিতে তৈরি তালাগুলো দেখতে সাধারণ মনে হলেও, এগুলো তৈরিতে অত্যন্ত নিখুঁত ও রহস্যময় কিছু কৌশল ব্যবহার করা হয়।
অতীতে এহরামি বুননজাত পণ্য হজের পোশাক হিসেবে ব্যবহার করা হতো, আর বর্তমানে এগুলো মূলত জায়নামাজ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
পাপিয়ের-মাশে শিল্প ইরানে ‘গোল ও মোর্গ’ (ফুল ও পাখি) চিত্রকলার মতো শিল্পের সঙ্গে মিশে গিয়ে অন্যান্য দেশের তুলনায় একটি ভিন্ন বৈশিষ্ট্য ও স্বাতন্ত্র্য অর্জন করেছে।
মিনাকারি বিশ্বজুড়ে একটি ইরানি শিল্প হিসেবে পরিচিত। অধিকাংশ বিদেশি পর্যটক মিনাকারি করা পাত্রগুলো স্মারক উপহার হিসেবে নিজ দেশে নিয়ে যেতে পছন্দ করেন।
মোতাবি শিল্পে ছাগল বা উটের লোম প্রক্রিয়াজাত করে সুতা, দড়ি ও জাল তৈরি করা হয়। এই শিল্পকৌশলের মাধ্যমে তৈরি বুননসামগ্রী অত্যন্ত মজবুত ও দীর্ঘস্থায়ী হয়।
কাচি (টাইলস) ইরানি স্থাপত্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অলংকারিক উপাদান হিসেবে বিবেচিত হয়। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে, টাইলস তৈরি ও নকশা করার বিভিন্ন কৌশল এবং দক্ষতার বিকাশ ঘটেছে।
শিল্পীরা তাঁদের নকশা করা কার্পেটগুলোতে সবচেয়ে সুন্দর নকশা ও নকশার বিন্যাস আকর্ষণীয় ও দৃষ্টিনন্দনভাবে ফুটিয়ে তোলেন।