গ্রিক জাহাজ এবং এর আকর্ষণীয় ইতিহাস
কিশ দ্বীপের পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত গ্রিক জাহাজটি সূর্যাস্তের সময় দ্বীপের অন্যতম মনোমুগ্ধকর দৃশ্য সৃষ্টি করে।
কিশ দ্বীপের পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত গ্রিক জাহাজটি সূর্যাস্তের সময় দ্বীপের অন্যতম মনোমুগ্ধকর দৃশ্য সৃষ্টি করে।
সা’দ আল-সালতানেহ কারাভানসারাইয়ের অপার সৌন্দর্য ও মহিমা ভাষায় বর্ণনা করা অসম্ভব!
খারানাক জলসেতুকে ইরানের একমাত্র ঐতিহ্যবাহী জলসেতু হিসেবে গণ্য করা হয়, কারণ এটি মানুষের চলাচলের জন্য নয়, বরং পানি এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যে নির্মিত হয়েছিল।
মিলাদ টাওয়ার ইরানের সবচেয়ে উঁচু টাওয়ার এবং তেহরান শহরের অন্যতম প্রতীক।
রঙিন ফুল এবং মনোমুগ্ধকর নকশায় সাজানো কেরমানশাহের ফুলের উদ্যানটিকে এক স্বপ্নময় পরিবেশে পরিণত করেছে।
বাম অঞ্চল ও তার আশপাশে ৩০০টিরও বেশি জলপ্রণালি (ভূগর্ভস্থ জলপ্রণালি) খনন করা হয়েছে। এর মধ্যে বেরাভাতের যমজ জলপ্রণালিকে এই অঞ্চলের জলপ্রণালিগুলোর অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
রাবাত কুলির কাঠামোতে লাল, সবুজ ও বেগুনি রঙের পাথরের ব্যবহার এটিকে ইরানের অন্যান্য পথিকদের বিশ্রামাগার থেকে আলাদা বৈশিষ্ট্য দিয়েছে।
চোগামিশের টিলাগুলোতে পাওয়া প্রত্নবস্তুগুলো অত্যন্ত বিস্ময়কর এবং এগুলো ইরানের মানুষের সাত হাজার বছরের জীবনযাত্রার এক ঐতিহাসিক কাহিনি তুলে ধরে।