একাডেমিক, সাংস্কৃতিক ও ভাষাগত সহযোগিতা সম্প্রসারণে গুরুত্ব
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ইরান দূতাবাসের সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের কালচারাল কাউন্সেলরের দুই দিনের সফর
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ইরান দূতাবাসের সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের কালচারাল কাউন্সেলরের সফর
একাডেমিক, সাংস্কৃতিক ও ভাষাগত সহযোগিতা সম্প্রসারণে গুরুত্ব
রাজশাহী, ৩ আগস্ট ২০২৬: বাংলাদেশে নিযুক্ত ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের দূতাবাসের সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের কালচারাল কাউন্সেলর জনাব মাহদি মৌলায়ী আরানি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও রাজশাহীর বিভিন্ন শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে দুই দিনের সফর করেছেন। সফরকালে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
সফরের বিভিন্ন কর্মসূচিতে ইরান ও বাংলাদেশের মধ্যে শিক্ষা, গবেষণা, ভাষা, সংস্কৃতি ও একাডেমিক যোগাযোগ আরও সম্প্রসারণের সম্ভাবনা, ফারসি ভাষা শিক্ষার প্রসার এবং দুই দেশের শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সহযোগিতা জোরদারের বিষয় গুরুত্ব পায়।
শাহরিয়ারের কবিতায় নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ নিয়ে সেমিনার
রাজশাহীতে দুই দিনের সফরের প্রথম কর্মসূচি ছিল “শাহরিয়ারের কবিতায় নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধের প্রতিফলন” শীর্ষক সেমিনারে অংশগ্রহণ।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবদুল আলীম, প্রফেসর ড. মামুনুর রশীদ এবং কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ বেলাল হোসেন। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকাস্থ ইরান দূতাবাসের সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের কালচারাল কাউন্সেলর জনাব মাহদি মৌলায়ী আরানি। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা ও প্রবন্ধের আলোচক হিসেবে ছিলেন প্রফেসর ড. মো. কামাল উদ্দিন, ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।
ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের প্রভাষক জনাব মোঃ কামাল হোসাইন প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এবং প্রফেসর ড. মোহাম্মদ নূরুল হুদা, ইরানি ভিজিটিং প্রফেসর ও ফারসি ভাষার শিক্ষক ড. ইসমাইল সাদেকি এবং ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. তাহমিনা বেগম বক্তব্য প্রদান করেন। আর পুরো অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. তাহমিনা বেগম।
সেমিনারে শাহরিয়ারের সাহিত্যকর্মে নৈতিকতা, মানবিকতা ও মূল্যবোধের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও কলা অনুষদের ডিন ইরানের সঙ্গে একাডেমিক ও বৈজ্ঞানিক যোগাযোগের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তাঁরা ভবিষ্যতে এ ধরনের যোগাযোগ আরও বিস্তৃত করার আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য বিভাগ ও অনুষদের সঙ্গেও সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
উল্লেখ্য, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বিশ্ববিদ্যালয়টিতে প্রায় ৩০ হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত এবং ১২টি অনুষদ, ৫৯টি বিভাগ, ৬টি ইনস্টিটিউট ও প্রায় এক হাজার শিক্ষক রয়েছেন।
ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময়
সেমিনারের পর ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সঞ্চালক হিসেবে ছিলেন আঞ্জুমানে ফারসি বাংলাদেশের বর্তমান সভাপতি ও ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের সম্মানিত শিক্ষক প্রফেসর ড. মো. কামাল উদ্দিন । অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ২০ জন শিক্ষার্থী, বিশেষ করে অপেক্ষাকৃত জুনিয়র পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা মঞ্চে উঠে ফারসি ভাষায় নিজেদের বক্তব্য উপস্থাপন করেন। তাঁদের ফারসি ভাষায় যোগাযোগের দক্ষতা ও আগ্রহ অনুষ্ঠানে বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়।
অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশনার পাশাপাশি “শিরিন-এ হাফেজ” নাটকও মঞ্চস্থ হয়। শিক্ষার্থীদের ব্যাপক উপস্থিতিতে কলা অনুষদের মিলনায়তন পূর্ণ হয়ে ওঠে। সভাকে ঘিরে তাঁদের আগ্রহ ও প্রস্তুতিরও বিশেষ প্রকাশ ঘটে; বিভিন্ন শ্রেণিকক্ষ ও সভাকক্ষ ফারসি ভাষার বাক্য ও কবিতার পঙ্ক্তি দিয়ে সাজানো হয়।
মতবিনিময়ে শিক্ষার্থীরা তাঁদের একাডেমিক ও অবকাঠামোগত বিভিন্ন প্রত্যাশা তুলে ধরেন। এর মধ্যে ছিল শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তির সুযোগ বৃদ্ধি, জ্ঞান ও দক্ষতা উন্নয়নমূলক কোর্স, ইরানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে যৌথ গবেষণা, বিভিন্ন একাডেমিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কারের ব্যবস্থা এবং ফারসি ভাষা বিভাগের কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ।
কালচারাল কাউন্সেলর তাঁর বক্তব্যে বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের আগ্রহ, উদ্দীপনা ও সক্ষমতার প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতে সহযোগিতার সম্ভাবনাগুলো নিয়ে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালকদের সঙ্গে মতবিনিময়
সফরের তৃতীয় কর্মসূচিতে রাজশাহীর বিভিন্ন ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।
এই অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের দূতাবাসের সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের কালচারাল কাউন্সেলর জনাব মাহদি মৌলায়ী আরানি, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের ইরানি ভিজিটিং প্রফেসর ড. ইসমাইল সাদেকি ও ফারসি ভাষা ও সাহত্য বিভাগের প্রফেসর ড. শামীম খান । সম্মানিত বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রফেসর ড. মো. নূরুল হুদা, ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। সভার সঞ্চালনে ছিলেন ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আতাউল্যাহ।সভার সভাপতিত্তে ছিলেন আঞ্জুমানে ফারসি বাংলাদেশের সভাপতি প্রফেসর ড. মো. কামাল উদ্দিন, ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।
এ কর্মসূচির অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল এসব প্রতিষ্ঠানে ফারসি ভাষা শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং ইসলামী বিশ্বের বিভিন্ন দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও ঐক্যের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করা।
সভায় সাম্প্রতিক আঞ্চলিক পরিস্থিতি, ইরানের সঙ্গে ইসলামী বিশ্বের যোগাযোগ এবং ফারসি ভাষার বর্তমান অবস্থাসহ বিভিন্ন বিষয় উঠে আসে।
কালচারাল কাউন্সেলর তাঁর বক্তব্যে সাম্প্রতিক সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ইরানের অবস্থান, প্রতিরোধের ধারণা এবং জনগণের ধর্মীয় ও নৈতিক বিশ্বাসের ভূমিকা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ইসলামী বিশ্বের আলেম ও চিন্তাবিদদের জন্য পারস্পরিক বোঝাপড়া, সংহতি ও শান্তিপূর্ণ সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
ফিলিস্তিন ও গাজার মানবিক পরিস্থিতির প্রসঙ্গও আলোচনায় আসে। এ প্রসঙ্গে ইসলামী বিশ্বের মধ্যে ঐক্য, মানবিক সংহতি এবং পারস্পরিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
বক্তব্যে আরও বলা হয়, ইতিহাস ও সংস্কৃতির ধারায় ফারসি ভাষা বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের মধ্যে জ্ঞান, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক যোগাযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে ভূমিকা রেখেছে। এ ভাষাকে ইসলামী বিশ্বের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করে এর শিক্ষা ও চর্চা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
আলোচনা শেষে ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ফারসি ভাষা শিক্ষায় আগ্রহীদের জন্য পৃথক উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়। আগ্রহীদের নিবন্ধনের ভিত্তিতে পরবর্তী পর্যায়ে ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের শিক্ষকদের সহযোগিতায় ক্লাস পরিচালনার পরিকল্পনা করা হয়।
অন্যান্য বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের জন্য এক্সিকিউটিভ ফারসি ভাষা প্রশিক্ষণ কোর্স
সফরের চতুর্থ কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য বিভাগের আগ্রহী ও মেধাবী শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের জন্য পরিচালিত ফারসি ভাষার উন্মুক্ত এক্সিকিউটিভ ফারসি ভাষা প্রশিক্ষণ কোর্সের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন কালচারাল কাউন্সেলর। এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকাস্থ ইরান দূতাবাসের সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সম্মানিত কালচারাল কাউন্সেলর জনাব মাহদি মৌলায়ী আরানি, সভাপতিত্ব করেন ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. তাহমিনা বেগম, অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনা করেন প্রফেসর ড. মো. কামাল উদ্দিন, ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ।
ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের উদ্যোগে এবং প্রচেষ্টায় চালু হওয়া এ কোর্সে ইতিহাস বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, কয়েকটি অনুষদের সাবেক ডিন এবং আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের শিক্ষকসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করছেন।
ইতোমধ্যে কোর্সটির সাতটি ক্লাস অনুষ্ঠিত হয়েছে। অংশগ্রহণকারীরা ফারসি ভাষায় নিজেদের পরিচয় ও মতামত প্রকাশ করতে সক্ষম হওয়ায় তাঁদের আগ্রহ ও অগ্রগতি অনুষ্ঠানে প্রশংসা পায়।
ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের শিক্ষকদের সঙ্গে নৈশভোজ ও ভবিষ্যৎ সহযোগিতার পরিকল্পনা
রাজশাহী সফরের প্রথম দিনের শেষ কর্মসূচিতে কলা অনুষদের ডিন ও ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সঙ্গে নৈশভোজ ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনায় ইরান ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে একাডেমিক যোগাযোগ আরও শক্তিশালী করার বিভিন্ন সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। অনুষদের ডিন, যিনি আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী, ইরানের সঙ্গে একাডেমিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণের বিষয়ে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেন।
আলোচনার ভিত্তিতে নিয়মিতভাবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও কলা অনুষদে ইরানি শিক্ষাবিদদের সফর, ইরানের সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভাগগুলোর সঙ্গে একাডেমিক যোগাযোগ স্থাপন, মেধাবী শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তির সম্ভাবনা এবং ফারসি ভাষার দক্ষতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ কর্মসূচি নিয়ে কাজ করার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করা হয়।
এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইরানবিদ্যা কক্ষকে আধুনিক প্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ করা, ইরান ও ইরানি সংস্কৃতি সম্পর্কে নতুন বই ও তথ্য উপস্থাপন, ডিজিটাল প্রদর্শনীর ব্যবস্থা, ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য ফারসি ভাষার বিশেষ প্রশিক্ষণ কোর্স চালুর বিষয়েও আলোচনা হয়।
বাংলাদেশে ফারসি ভাষা ও সাহিত্য চর্চার প্রসারে “কন্দে পারসি” নামে একটি ভাষা ও সাহিত্য উৎসব আয়োজনের প্রস্তাবও আলোচনায় আসে। এ বিষয়ে আঞ্জুমানে ফারসি বাংলাদেশ এর সভাপতি প্রফেসর ড. মোঃ কামালউদ্দিন প্রয়োজনীয় প্রস্তাব উপস্থাপন করবেন বলে জানানো হয়।
শিক্ষা ও সংস্কৃতিকে কেন্দ্র করে সম্পর্ক জোরদারের প্রত্যাশা
রাজশাহী সফরের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সামগ্রিকভাবে ইরান ও বাংলাদেশের মধ্যে শিক্ষা, গবেষণা, ভাষা ও সংস্কৃতিভিত্তিক যোগাযোগ আরও বিস্তৃত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের আগ্রহ এবং ইরানি পক্ষের সহযোগিতার আগ্রহ ভবিষ্যতে পারস্পরিক একাডেমিক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম আরও জোরদারের নতুন সুযোগ তৈরি করবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সফরটি দুই দেশের জনগণের মধ্যে বিদ্যমান ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক যোগাযোগকে আরও সমৃদ্ধ করার পাশাপাশি উচ্চশিক্ষা, গবেষণা, ফারসি ভাষা শিক্ষা এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ের ক্ষেত্রে নতুন সহযোগিতার ক্ষেত্র উন্মোচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
.