• Jul 23 2026 - 14:51
  • 19
  • : 1 minute(s)

কুরআন শিক্ষা, তিলাওয়াত, সাংস্কৃতিক বিনিময় ও যৌথ কর্মসূচি সম্প্রসারণে সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ

বৈঠকে পারস্পরিক সহযোগিতা, কুরআন শিক্ষা ও তিলাওয়াতের প্রসার এবং ভবিষ্যৎ যৌথ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

Copy of Your paragraph text

ঢাকা, ২২ জুলাই ২০২৬: আন্তর্জাতিক কুরআন তিলাওয়াত সংস্থা (ইক্বরা)-এর সভাপতি ও আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ক্বারী শাইখ আহমাদ বিন ইউসুফ আল আযহারী ইরান সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সম্মানিত কালচারাল কাউন্সেলর জনাব মাহদি মৌলায়ী আরানি-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেছেন। এই সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন সাখাওয়াত খান, সেক্রেটারি জেনারেল, ইক্বরা।

বৈঠকে পারস্পরিক সহযোগিতা, কুরআন শিক্ষা ও তিলাওয়াতের প্রসার এবং ভবিষ্যৎ যৌথ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

আন্তর্জাতিক কুরআন তিলাওয়াত সংস্থা (ইক্বরা) বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ ও সুপরিচিত কুরআনভিত্তিক প্রতিষ্ঠান। বৈঠকে উল্লেখ করা হয়, অতীতেও ইরান সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সঙ্গে সংস্থাটির সুদৃঢ় ও ফলপ্রসূ সম্পর্ক ছিল এবং বিভিন্ন সময়ে উভয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সফলভাবে নানা ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে।

শাইখ আহমাদ বিন ইউসুফ আল আযহারী বলেন, তাঁর মরহুম পিতার উদ্যোগে ১৯৮৮ সালে প্রথমবারের মতো ইরানের একটি ক্বারিদের দল বাংলাদেশ সফর করে। সেই সফরের মাধ্যমে কুরআনিক কার্যক্রমে ইরানের ইতিবাচক পরিচিতি বাংলাদেশের মানুষের কাছে তুলে ধরা সম্ভব হয় এবং সেই ধারাবাহিকতা আজও অব্যাহত রয়েছে। তিনি আরও জানান, প্রতিবছর ইক্বরার আমন্ত্রণে ইরানের শীর্ষস্থানীয় ক্বারিরা বাংলাদেশে এসে এক লক্ষাধিক মানুষের উপস্থিতিতে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত করে থাকেন।

কালচারাল কাউন্সেলর জনাব মাহদি মৌলায়ী আরানি ইক্বরার সঙ্গে দীর্ঘদিনের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং সংস্থাটির প্রতিষ্ঠাতা মরহুমের অবদানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। তিনি বলেন, বর্তমান সময় ইসলামী বিশ্বের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ। তাঁর মতে, পবিত্র কুরআনের ঐশী প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়নে দৃঢ় বিশ্বাস ও আস্থা মুসলিম উম্মাহর জন্য প্রেরণার উৎস হতে পারে। তিনি উল্লেখ করেন, "সমস্ত মর্যাদা একমাত্র আল্লাহরই", "ভয় করো না, দুঃখ করো না; যদি তোমরা মুমিন হও, তবে তোমরাই বিজয়ী হবে", "আমার সঙ্গে আমার প্রতিপালক আছেন"—পবিত্র কুরআনের এসব বাণী মানুষের আত্মবিশ্বাস, ধৈর্য ও প্রতিরোধের চেতনাকে শক্তিশালী করে।

বৈঠকে উভয় পক্ষ ভবিষ্যৎ সহযোগিতা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে একমত হন। এর মধ্যে রয়েছে কুরআন তিলাওয়াতের অনুষ্ঠান আরও সম্প্রসারণ, শিশু ও কিশোরদের জন্য কুরআনভিত্তিক শিক্ষামূলক ও সৃজনশীল কার্যক্রম পরিচালনা, পবিত্র কুরআনের আয়াতখচিত সাংস্কৃতিক পণ্য ও ট্যাপেস্ট্রির পরিচিতি ও প্রসারে সহযোগিতা এবং কুরআনের শিক্ষা, অর্থ ও জীবনঘনিষ্ঠ বিষয়াবলি নিয়ে যৌথ কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা।

Dhaka Bangladesh

Dhaka Bangladesh

.

:

:

:

: