ইরান সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সহকর্মীদের সাথে বাংলাদেশে নবনিযুক্ত ইরানি কালচারাল কাউন্সেলর জনাব মাহদি মৌলায়ী আরানির এক মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়
১৭ জুন ২০২৬, বুধবার ঢাকাস্থ ইরান সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সহকর্মীদের সঙ্গে বাংলাদেশে নবনিযুক্ত ইরানি কালচারাল কাউন্সেলর জনাব মাহদি মৌলায়ী আরানির এক আন্তরিক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় তিনি কেন্দ্রের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে পরিচিত হন এবং পারস্পরিক সহযোগিতা, দলগত কাজ ও ইরান-বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরও জোরদারে সম্মিলিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে উপস্থিত সবাই ভবিষ্যৎ কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও ফলপ্রসূ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
১৭ জুন ২০২৬, বুধবার ঢাকাস্থ ইরান সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সহকর্মীদের সঙ্গে বাংলাদেশে নবনিযুক্ত ইরানি কালচারাল কাউন্সেলর জনাব মাহদি মৌলায়ী আরানির এক আন্তরিক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় তিনি কেন্দ্রের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে পরিচিত হন এবং পারস্পরিক সহযোগিতা, দলগত কাজ ও ইরান-বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরও জোরদারে সম্মিলিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে উপস্থিত সবাই ভবিষ্যৎ কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও ফলপ্রসূ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
এই সভায় জনাব মাহদি মৌলায়ী আরানি কয়েকটি বিষয় তুলে ধরেন
আল্লাহ আমাদের আগমন ও প্রস্থানকে সত্য, কল্যাণ ও বরকতময় করুন, ইনশাআল্লাহ।"হে আমার প্রতিপালক! আমাকে সত্যতার সঙ্গে প্রবেশ করান এবং সত্যতার সঙ্গে বের করুন।"
ইরান ও বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক সম্পর্ক উন্নয়নে কাজ করা যদিও আমাদের পেশাগত দায়িত্বের অংশ, তবে এর গুরুত্ব কেবল প্রশাসনিক কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এটি দুই মুসলিম জাতির পারস্পরিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। আমাদের বিশ্বাস ও ঈমান হলো, এই আন্তরিক প্রচেষ্টার উত্তম প্রতিদান আল্লাহ তাআলা আখিরাতে দান করবেন।
এই ধরনের দায়িত্ব পালন অনেকটা রিলে দৌড়ের মতো। আমাদের পূর্বসূরিরা আন্তরিক পরিশ্রম ও নিষ্ঠার মাধ্যমে ইরান ও বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক সম্পর্ককে আজকের অবস্থানে নিয়ে এসেছেন। এখন আমার দায়িত্ব হলো তাঁদের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে এবং বর্তমান বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই পথচলাকে আরও এগিয়ে নেওয়া।
সাফল্য সবসময় দলগত প্রচেষ্টার ফল। তাই আমাদের প্রত্যেককে একসঙ্গে, পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে কাজ করতে হবে ঠিক একটি ফুটবল দলের মতো। (জনাব আসিফ, জনাব তাইয়্যেব, জনাব জাহাঙ্গীর, জনাব ইকবাল এবং জনাবা তাইয়্যেবা উনাদের সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টাই আমাদের শক্তি।)
আমি সম্মানিত সাংস্কৃতিক পরামর্শক জনাব মিরমোহাম্মাদীর আন্তরিক প্রচেষ্টা ও অবদানের জন্য তাঁকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। তিনি এমন এক বিশেষ সময়ে এই দায়িত্ব পালন করেছেন, যখন ইরানে নানা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটেছে এবং বাংলাদেশেও সরকার পরিবর্তনসহ বহু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে।
এ সময় ঢাকাস্থ ইরানি সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের কর্মকর্তারা বিদায়ী সাংস্কৃতিক কাউন্সেলরের উদ্দেশে তাঁদের অনুভূতি ব্যক্ত করেন। তাঁরা তাঁর সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা, বিভিন্ন স্মৃতি ও কর্মজীবনের নানা দিক স্মরণ করেন। বক্তারা বিদায়ী কাউন্সেলরের আন্তরিক নেতৃত্ব, নিষ্ঠা ও অবদানের জন্য তাঁকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। একই সঙ্গে তাঁরা তাঁর সুস্বাস্থ্য, সাফল্য ও আগামী জীবনের সর্বাঙ্গীণ কল্যাণ কামনা করে দোয়া করেন।
.