বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ কুরআনি প্রতিষ্ঠান ‘কিরাআত’-এ সৌজন্য সাক্ষাৎ
আলোচনায় উল্লেখ করা হয়, গত বছর আয়োজিত ‘মাহফিল’ অনুষ্ঠানটি কিরাআত প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছিল।
ঢাকা, ১ জুলাই ২০২৬: বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ ও সুপরিচিত কুরআনি প্রতিষ্ঠান ‘কিরাআত’-এ একটি সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সাক্ষাতে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সর্বোচ্চ নেতার কার্যালয়ের সম্মানিত প্রতিনিধি ড. সৈয়দ মাহদি আলী জাদেহ মুসাভি, বাংলাদেশে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের দূতাবাসের সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সম্মানিত কালচারাল কাউন্সেলর জনাব মাহদি মৌলায়ী আরানি সহ আরো অনেকে। কুরআন শিক্ষা ও তিলাওয়াতের প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী এই প্রতিষ্ঠানের অধীনে দেশজুড়ে অসংখ্য মাদরাসা পরিচালিত হয়, যেখানে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী কুরআনের শিক্ষা গ্রহণ করছে।
সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষ কুরআন শিক্ষা, আন্তর্জাতিক ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা এবং ভবিষ্যৎ পারস্পরিক কার্যক্রম নিয়ে মতবিনিময় করেন। আলোচনায় উল্লেখ করা হয়, গত বছর আয়োজিত ‘মাহফিল’ অনুষ্ঠানটি কিরাআত প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছিল। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটির আমন্ত্রণে প্রতি বছরই ইরান থেকে বহু খ্যাতিমান কারী ও হাফেজ বাংলাদেশে এসে বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানের একজন শিক্ষক সুললিত কণ্ঠে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত করেন। পরে আরেকজন শিক্ষক আবেগঘন বক্তব্যে বলেন, “ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চলাকালীন পুরো সময় আমরা ইরানের বিজয়ের জন্য দোয়া করেছি।” তাঁর আন্তরিক অনুভূতি উপস্থিত সবাইকে আবেগাপ্লুত করে।
প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা ইরান সফরের প্রতি তাঁদের আন্তরিক আগ্রহের কথাও প্রকাশ করেন এবং দুই দেশের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরও জোরদার হওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
সফরের শেষ পর্যায়ে মাদরাসার সিঁড়িতে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে শিশু-কিশোর শিক্ষার্থীরা অতিথিদের বিদায় জানায়। তাদের আন্তরিক ভালোবাসা, সম্মান ও উষ্ণ অভ্যর্থনা সফরটিকে আরও স্মরণীয় করে তোলে এবং উপস্থিত প্রতিনিধিদলকে গভীরভাবে আপ্লুত করে।
.