একটি শিয়া পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ
বর্ণনাতীত এক ভালোবাসা শহীদ নেতার রক্তের ধারা প্রবাহমান
বাংলাদেশে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সর্বোচ্চ নেতার কার্যালয়ের সম্মানিত প্রতিনিধি ড. সৈয়দ মাহদি আলী জাদেহ মুসাভি এবং তাঁর সঙ্গে থাকা সদস্যরা, ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের দূতাবাসের সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সম্মানিত কালচারাল কাউন্সেলর জনাব মাহদি মৌলায়ী আরানির উপস্থিতিতে, একটি শিয়া পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। পরিবারটি মরহুম হুজ্জাতুল ইসলাম নকী ইমামের পরিবার।
শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬: বাংলাদেশে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সর্বোচ্চ নেতার কার্যালয়ের সম্মানিত প্রতিনিধি ড. সৈয়দ মাহদি আলী জাদেহ মুসাভি এবং তাঁর সঙ্গে থাকা সদস্যরা, ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের দূতাবাসের সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সম্মানিত কালচারাল কাউন্সেলর জনাব মাহদি মৌলায়ী আরানির উপস্থিতিতে, একটি শিয়া পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। পরিবারটি মরহুম হুজ্জাতুল ইসলাম নকী ইমামের পরিবার।
শহীদ নেতা আয়াতুল্লাহ সৈয়দ আলী হুসেইনি খামেনেয়ীর শাহাদাতের সংবাদ পাওয়ার পর পরিবারের মা কয়েক দিন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। এখনো তিনি প্রিয় নেতার বিচ্ছেদের শোকে ব্যথিত ও অশ্রুসিক্ত। শহীদ নেতার স্মরণে আবেগাপ্লুত হয়ে তিনি বলেন, “আমরা আমাদের পিতাকে হারিয়েছি।”
যদিও তিন দিন পর তিনি হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরে আসেন, তবে সাম্প্রতিক সময়ে জানাজা ও দাফনের দৃশ্য দেখে তাঁর শোক আবারও গভীর হয়ে ওঠে।
পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের অবস্থাও একই রকম। শাহাদাতের সংবাদ তাদের গভীরভাবে ব্যথিত করে। তারা ছিলেন সেই প্রথমদিকের পরিবারগুলোর মধ্যে, যারা ওই রাতেই নিজেদের বাড়ি ও মসজিদে শহীদ নেতার স্মরণে অনুষ্ঠান ও শোকসভা আয়োজন করেছিলেন। এখনো তারা শোক ও বেদনায় দিন কাটাচ্ছেন।
সর্বোচ্চ নেতার কার্যালয়ের সদস্যরা তাদের বাড়িতে উপস্থিত হওয়ায় পরিবারটি গভীর আনন্দ প্রকাশ করে। তারা বলেন, “ইরানের সর্বোচ্চ নেতার কার্যালয়ের সদস্যদের এই সাক্ষাৎ আমাদের শোকের মধ্যে সান্ত্বনা ও প্রশান্তি এনে দিয়েছে।”
শহীদ নেতার রক্তের ধারা প্রবাহমান এবং প্রতিদিন তা আরও প্রজ্বলিত হচ্ছে। বাস্তবতা হলো, শহীদ আয়াতুল্লাহ খামেনেয়ীর প্রভাব তাঁর জীবদ্দশায় যে প্রভাব ছিল, তার চেয়েও আরও ব্যাপক ও গভীর হয়ে উঠবে।
.