ইরানের নবনিযুক্ত সাংস্কৃতিক কাউন্সেলরের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফারসি বিভাগের বিভাগীয় প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ
২৩ জুন ২০২৬ বাংলাদেশে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের নবনিযুক্ত সাংস্কৃতিক কাউন্সেলর জনাব মাহদি মৌলায়ী আরানির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মুমিত আল রশীদ।
সাংস্কৃতিক কাউন্সেলরের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাতে ড. মুমিত আল রশীদ সাবেক সাংস্কৃতিক কাউন্সেলর জনাব সাইয়্যেদ রেজা মীরমোহাম্মাদির বিভিন্ন অবদানের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং জনাব মাহদি মৌলায়ী আরানিকে নতুন দায়িত্ব গ্রহণ উপলক্ষে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। এ সময় তিনি শতবর্ষেরও অধিক ঐতিহ্যবাহী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের বর্তমান কার্যক্রম, একাডেমিক অগ্রগতি এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন।
সাক্ষাতে জনাব মাহদি মৌলায়ী আরানি বাংলাদেশে ফারসি ভাষা ও সাহিত্যচর্চার বিকাশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গবেষকদের অবদানের প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে তিনি ইরানের সাবেক সাংস্কৃতিক কাউন্সেলরদের অবদানের প্রতিও শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানান।
তিনি বলেন, ফারসি ভাষা ও সাহিত্য মানবসভ্যতার একটি মূল্যবান সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং এটি জাতি-রাষ্ট্রের সীমানা অতিক্রমকারী একটি আন্তর্জাতিক সাহিত্যধারা। ফারসি ভাষার মাধ্যমে বাংলাদেশ ও ইরানের মধ্যকার ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে উভয় পক্ষকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
সাংস্কৃতিক কাউন্সেলর শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের অংশগ্রহণে ফলপ্রসূ ও পরিকল্পিত বিভিন্ন একাডেমিক ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচি গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি আরও আশ্বাস দেন যে, অতীতের ধারাবাহিকতায় ইরানের সাংস্কৃতিক কাউন্সেলর দপ্তর ভবিষ্যতেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের শিক্ষা, গবেষণা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে। পাশাপাশি, সহযোগিতামূলক কার্যক্রমগুলো যেন বাস্তবসম্মত ও ফলপ্রসূ হয়, সে বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন।
সাক্ষাৎ শেষে উভয় পক্ষ বাংলাদেশে ফারসি ভাষা ও সাহিত্যচর্চার প্রসার, গবেষণার উন্নয়ন এবং দুই দেশের শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণে একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
.