• Jan 8 2026 - 08:41
  • 6
  • : 1 minute(s)

স্টেম সেলের ক্ষেত্রে বিশ্বে ইরানের অবস্থান কী

ইরান লাখ লাখ স্টেম সেলের নমুনা সংরক্ষণ এবং আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি বাস্তবায়নের মাধ্যমে এ ক্ষেত্রে বিশ্বের অন্যতম অগ্রগামী দেশে পরিণত হয়েছে।

ইরান লাখ লাখ স্টেম সেলের নমুনা সংরক্ষণ এবং আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি বাস্তবায়নের মাধ্যমে এ ক্ষেত্রে বিশ্বের অন্যতম অগ্রগামী দেশে পরিণত হয়েছে।

গত তিন দশকে স্টেম সেল গবেষণা ও চিকিৎসার ক্ষেত্রে ইরান উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। ১৯৯১ সালে ইরানে প্রথম অস্থিমজ্জা প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে স্টেম সেলভিত্তিক চিকিৎসা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় এবং এর মধ্যদিয়ে দেশে এই চিকিৎসা পদ্ধতির সূচনা হয়। এরপর ধীরে ধীরে বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে।

পার্সটুডে'র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০০০-এর দশকের শুরুতে ইরান মানব ভ্রূণীয় স্টেম সেলের লাইন উৎপাদনে সক্ষম হয় এবং এভাবে এই অঞ্চলটির অগ্রগামী দেশগুলোর মধ্যে নিজের অবস্থান সুদৃঢ় করে।

নাভিরক্ত (কর্ড ব্লাড) ব্যাংকগুলো বিশেষ করে রুইয়ান ব্যাংক (প্রতিষ্ঠাকাল ২০০৫) এবং ইরানের জাতীয় রক্ত সঞ্চালন সংস্থার জাতীয় ব্যাংক (প্রতিষ্ঠাকাল ২০১০) এ পর্যন্ত লাখ লাখ নমুনা সংরক্ষণ করেছে এবং হাজার হাজার রোগীর চিকিৎসায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

বর্তমানে ইরান স্টেম সেলভিত্তিক চিকিৎসায় বিশ্বে অষ্টম স্থানে রয়েছে এবং দেশটির বিভিন্ন কেন্দ্রে ২,৪০০-এর বেশি স্টেম সেল প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও ইরানি গবেষকরা আন্তর্জাতিক কংগ্রেসে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করছেন এবং ডায়াবেটিস ও আলঝাইমারের মতো জটিল রোগের চিকিৎসায় গুরুত্বপূর্ণ রূপরেখা দিচ্ছেন।

এই অগ্রযাত্রা প্রমাণ করে- ইরানে স্টেম সেল কেবল একটি চিকিৎসার উপাদানই নয়, বরং বৈজ্ঞানিক সক্ষমতা ও ভবিষ্যতের আশার প্রতীক।#

পার্সটুডে

Dhaka Bangladesh

Dhaka Bangladesh

.

:

:

:

: